নকশবন্দীয়া মুজাদ্দেদিয়া তরিকার নিয়মাবলী
(১) প্রথমে শিক্ষার্থী এশার নামাজের পরে নিয়ত করিয়া চক্ষুদ্বয় মুদ্রিত করতঃ প্রথম লতিফা কলবের দিকে লক্ষ্য পূর্বক ৫০০ বার দরুদ পাঠ করিবে।
দরুদ পড়ার অগ্রে নিম্নোক্ত প্রকার নিয়ত করিবে ;-
“আমি আমার কলবের দিকে মুতাওয়াজ্জুহ হই, আমার কলব হযরত পীর ছাহেব কেবলাক কলবের অছিলায় জনাব হযরত নবি করিম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কলবের দিকে মুতাওয়াজ্জুহ হয়, তাঁহার কলব হইতে তাওয়াজ্জুহ ও জিয়ারতের ফয়েজ আমার কলবে আসুক।
এশার দরুদটি এই;– আল্লাহুম্মা ছাল্লি আলা ছাইয়েদেনা মোহাম্মদ্রিও অছিলাতি ইলাইকা অ-আলিহি অ-ছাল্লিম।
اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ وَسَيْلَتِي إِلَيْكَ وَآلِهِ وَسَلِّمْ
(২) ফজরের নামাজের পরে নিয়ত করিয়া চক্ষুদ্বয় বন্ধ পূর্বক কলবের দিকে খেয়ান করতঃ প্রথমে ১০০ বার দরুদ, মধ্যে ৫০০ বার 'লা-হাওলা অলা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
لا حول ولا قوة الا بالله *
তাছাওয়াফ-তত্ত্ব বা তরিকত দর্পণ
অবশেষে ১০০ বার দরুদ পড়িবে।
ফজরের দরুদ পড়ার অগ্রে নিম্নোক্ত প্রকার নিয়ত করিবে ;-
“আমি আমার কলবের দিকে মুতাওয়াজ্জুহ হই, আমার কলব জনাব হযরত পীর ছাহেব কেবলার কলবের অছিলায় হযরত ইমাম রব্বানী আহমদ ছারহাদি রহমাতুল্লাহি আলায়হির কলবের দিকে মোতাওয়াজ্জুহ হয়, তাঁহার কলব হইতে তাওয়াজ্জুহ ও জিয়ারতের ফয়েজ আমার কলবে আসুক।”
ফজরের দরুদটি এই ;-
আল্লাহুম্মা ছাল্লি আলা ছাইয়িদিনা মোহাম্মদিন ছাইয়িদিদ মুর্সালিমা অ-আলা মুহয়ি সুন্নাতিহি মোজাদ্দিদি আলফি ছানী রহমাতুল্লাহি আলায়হি।
اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ سَيِّدِ المُرْسَلِينَ وَعَلَى مُحْيِ سُنَّتِهِ مُجَدِّدِ أَلْفِ ثَانِي رَحْمَةُ اللَّهِ عَلَيْهِ *
(৩) পীরের নিকট তাওয়াজ্জুহ গ্রহণপূর্বক প্রত্যহ ফজর ও মাগরিবে কল্ব লতিফার জেকর করিতে থাকিবে। জেকর করার পূর্বে নকশবন্দিয়া মুজাদ্দেদিয়া তরিকার পীরগণের পাক রূহে ছওয়াব রেছানি করিয়া লইবে।
ছওয়াব রেছানীর নিয়ম এই ;-
“কয়েকবার এস্তেগফার, তিনবার ছুরা ফাতেহা, ১০ বার ছুরা ইখলাস এবং ১১ বার উল্লিখিত এশার সময়ের দরুদ পাঠ করিয়া বলিবে, ইয়া আল্লাহ্! আমি যাহা কিছু পড়িলাম, ইহার ছওয়াব নকশবন্দিয়া মোজাদ্দেদিয়া তরিকার পীর সকলের পাক রূহ সমূহে পৌঁছাইয়া দাও।”
তাত্পরে এইরূপ নিয়ত করিবে ;-
“আমি আমার কলবের দিকে মোতাওয়াজ্জুহ হই, আমার কলব জনাব পীর ছাহেব কেবলার কলবের অছিলায় আল্লাহ তায়ালার দিকে মোতাওয়াজ্জুহ হয়, আল্লাহ আল্লাহ জেকরের ফয়েজ আমার কলবে আসুক, আমার কলব আল্লাহ আল্লাহ বলুক।”
তাছাওয়াফ-তত্ত্ব বা তরিকত দর্পণ
উর্দু নিয়ত ;–
میں اپنے قلب کی طرف متوجہ ہوتا ہوں اور میرا قلب حضرت پیر صاحب قبلہ کے قلب کی وسیلہ سے اللہ تعالیٰ کی طرف متوجہ ہوتا ہے۔ اللہ اللہ ذکر کا فیض میرا قلب میں آوے اور میرا قلب اللہ اللہ بولے۔ *
উক্ত প্রকার নিয়ত করিয়া চক্ষুদ্বয় বন্ধ করতঃ কলবের দিকে গাঢ়ভাবে খেয়ান পূর্বক নামাজের ন্যায় বসিয়া থাকিবে এবং এইরূপ ধারণা করিবে যে, যাত-আহাদিয়াত হইতে আমার কলবে আল্লাহ নামের জেকরের ফয়েজ আসিতেছে, ইহাতে ক্রমান্বয় কলব উক্ত এছমে জাতের ফয়েজে উন্মাত্ত হইয়া ঘড়ির কাঁটার ন্যায় বিকম্পিত হইতে থাকিবে। উক্ত খেয়ান করা ব্যতীত কোন বিষয়ের চিন্তায় মনোনিবেশ করিবে না।
অন্য চিন্তা করিলে জেকরের ফল প্রকাশিত হইবে না। ফজর ও মাগরিব এই দুই সময় ১ ঘণ্টা বা অর্ধ ঘণ্টা, অভাব পক্ষে যতটুকু সময় হয়, নিত্য নিয়মিত-রূপে এইরূপ লতিফার জেক্র করিতে থাকিবে। কঠিন পীড়া বা নিতান্ত আপত্তিজনক কারণ ব্যতীত উহা ত্যাগ করিতে নাই, বিনা কারণে জেক্-র ত্যাগ করিলে, তরিকতের উন্নতি লাভ করা যায় না। উপরোক্ত দুই সময় ব্যতীত অন্যান্য সমস্ত সময় উক্ত লতিফার দিকে খেয়ান রাখিতে হয়; উপবেশন, উত্থান ও শয়নে এইরূপ খেয়ান রাখাকে ওকুফে-কলবী বলা হয়। ইহাতে আশাতীত উন্নতি লাভ হয়। খোદાতায়ালা কুরআন শরিফে সাধক (ওলি) সম্প্রদায়ের সম্বন্ধে বলিয়াছেন ;–
الَّذِينَ يَذْكُرُونَ اللَّهَ قِيَامًا وَقُعُودًا وَعَلَىٰ جُنُوبِهِمْ *
“তাহারা দণ্ডায়মান, উপবিষ্ট এবং শায়িত অবস্থায় খোદાতায়ালার জেক্র করে।”
আরও বলিয়াছেন ;–
رِجَالٌ لَّا تُلْهِيهِمْ تِجَارَةٌ وَلَا بَيْعٌ عَن ذِكْرِ اللَّهِ *
তাছাওয়াফ-তত্ত্ব বা তরিকত দর্পণ
“এরূপ কতকগুলি পুরুষ আছে– যাহাদিগকে না ব্যবসায়, না ক্রয়-বিক্রয়ে খোদাতায়ালার জেকর হইতে বিরত করিতে পারে।”
হযরত মোজাদ্দেদ ছাহেব বলিয়াছেন, মনুষ্য আপন প্রভুর জেকর দ্বারা সৌভাগ্যবান ও মুক্তির অধিকারী হইতে পারে। যথাসম্ভব সমস্ত সময়ে খোদা তায়ালার জেকরে মন নিবিষ্ট রাখিবে। এক নিমিষও খোদাতায়ালার জেকর ভুলিবে না। এই নক্বশবন্দিয়া তরিকায় প্রথম শিক্ষার্থীরা সর্বক্ষণ খোদাতায়ালার জেকর করিতে অভ্যস্ত হইয়া পড়ে, কাজেই শিক্ষার্থীর পক্ষে এই তরিকেই উপযুক্ত, বরং অতীৰ আবশ্যক।
হযরত আব্দুল খালেক গেজাওয়ানি (র.) বলিয়াছেন, “সর্বক্ষণ খোদাতায়ালার জেকর করার তুল্য তরিকতে অন্য কোন উচ্চ পদ নাই।”
মাওলানা শাহ অলিউল্লাহ দেহলবি (র.) বলিয়াছেন, মনুষ্যকে আপন নিঃশ্বাস প্রশ্বাসের প্রতি এরূপ ভাবে লক্ষ্য রাখা কর্তব্য যে, সে খোদাতায়ালার জেকর ব্যতীত একটি নিঃশ্বাস ত্যাগ করিয়াছে কি না? এইরূপ করিতে করিতে সর্বক্ষণ খোদাতায়ালার জেকর করা সহজসাধ্য হইয়া পড়ে। ইহাকে হোশ-দার দম বলা হয়, মধ্যম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা কিছু কিছুক্ষণ পরে আপনার অবস্থা পর্যবেক্ষণ করিতে থাকিবে যে, কোন সময় খোদাতায়ালার জেকর হইতে উদাসীন হইয়াছিল কিনা? যদি কোন মুহূর্ত মোহভাবে অতিবাহিত হইয়া থাকে, তবে তজ্জন্য পরিতাপ ও ক্ষমা প্রার্থনা করিবে এবং ভবিষ্যতে মোহভাবে কালক্ষেপণ না করিতে দৃঢ় সংকল্প হইবে। ইহাকে ওকুফে-জামানি বলা হয়।
তরিকতপন্থীর পক্ষে একান্ত আবশ্যক যে, কোন স্থানে গমনকালে আপন পদদ্বয় ব্যতীত অন্য দিকে দৃষ্টিপাত করিবে না এবং উপবেশন কালে আপন সম্মুখ ভিন্ন অন্য দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ করিবে না, কেননা বিবিধ প্রকার চিত্র ও আশ্চর্যজনক রংএর দিকে দৃষ্টিপাত করিলে, মোহভাবের সৃষ্টি হয় এবং জেকর মোরাকাবা রহিত হইয়া যায়। এইরূপ লোকের কণ্ঠস্বর ও কথোপকথনের দিকে খেয়ান করিলে, মোহভাব প্রকাশিত হয়। উপরোক্ত প্রকার দৃষ্টি রোধ করাকে ‘নজরবর কদম’ বলা হয়।
তাছাওয়াফ-তত্ত্ব বা তরিকত দর্পণ
তরিকতপন্থী ব্যক্তি সমস্ত সময়, এমনকি পাঠ করিবার, কথোপকথনের, পানাহারের, গমনাগমনের সময়ও স্বীয় অন্তরকে খোদা তায়ালার খেয়ানে সংলিপ্ত রাখিবে, যেন উপরোক্ত খেয়ান অবিচ্ছিন্ন স্বভাবে পরিণত হয়। ইহাকে “খেলওয়াত-দর-অঞ্জমান’ নামে অভিহিত করা হয়।
পীর যে জেকর তাহাকে শিক্ষা প্রদান করিয়াছেন, সর্বক্ষণে বারবার তাহাই করিতে থাকিবে, ইহাতে ক্রমান্বয় অবিরত জেকর সহজ সাধ্য হইয়া পড়িবে, ইহাকে ‘ইয়াদ কদ’ বলা হয়।
যদি কোন মুরিদের কলব জারি না হয় বা কোন মুরিদ জেকরের ফয়েজ অনুভব করিতে না পারে, তবে ইহাতে হতাশ হইব না এবং আপনাকে অযোগ্য বোধ কলবের দিকে খেয়ান করা ত্যাগ করিবেন না।
হযরত মোজাদ্দেদ ছাহেব বলিয়াছেন, এই নকশবন্দীয়া তরিকায় প্রথম আলমে আমররের ছায়ের (পথ অতিক্রম) করিতে হয়, ইহাতে আনুসঙ্গিক ভাবে আলমে-খালকের ছায়ের সমাপন হইয়া যায়। অন্যান্য তরিকায় প্রথমে আলমে আমররের ছায়ের আরম্ভ করিতে হয়; ইহা সমাপনান্তে পৃথকভাবে আলমে আমররের ছায়ের করিতে হয়; তৎপরে যজবা (লতিফার আত্মিক উন্নতি) লাভ হইয়া থাকে। এই নকশবন্দীয়া তরিকায় কোন শিক্ষার্থী প্রথমে আলমে অমরের ছায়ের আরম্ভ করিয়া হঠাৎ কোন আছর বা যজাবার মধুরতা অনুভব করিতে পারে না। ইহার কারণ এই যে, এই শ্রেণীর শিক্ষার্থীর মধ্যে আলমে খালকের হিসাবে আলমে আমরের ভাব দুর্বলভাবে বিরাজিত আছে; পীর তরিকতের তাওয়াজ্জুহ গুণে অথবা নফছুদ্ধি ও কঠোর পরিশ্রমের ফলে ক্রমান্বয়ে তাহার আলমে আমর, আলমে খালক অপেক্ষা অধিকতর সবল হইলে, জেকরের আছর বা যজবার মধুরতা উপলব্ধি করিতে সক্ষম হইবে, কতক উপযুক্ত মুরিদ লতিফার যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও এইরূপ বিপন্ন হইয়া থাকে, ইহাতে যেন কেহ আপনাকে অনুপযুক্ত ধারণায় তরিকত কার্য্যে শৈথিল্য প্রকাশ না করে।
পাঠক, কলবের জেক্র জারি করিবার জন্য অথবা অবিরত জেকরে নিমগ্ন থাকিবার জন্য বা মনের দুশ্চিন্তা দূরীকরণের জন্য অনবরত আল্লাহ ।
এই নামটি বৃদ্ধাঙ্গুলি দ্বারা অবশিষ্ট কয়েকটি আঙ্গুলিতে লিখিতে থাকিবে, কিংবা উক্ত নামটি বড় অক্ষরে লিখিয়া বহু সময় উহার দিকে দৃষ্টিপাত করিতে থাকিবে যেন উহা তাহার স্মৃতিপটে রক্ষিত থাকে এবং যে দিকে দৃষ্টিপাত করে সেই দিকে যেন উহা অঙ্কিত বলিয়া বোধ হয়, অথবা যেন সর্বক্ষণে আল্লাহর নামটি তাহার কলবে বা অন্য লতিফায় কিংবা সমস্ত দেহ অঙ্কিত আছে বলিয়া অনুমানিত হয়। খোদা তায়ালার অনুগ্রহে ইহাতে তাহার বাঞ্ছা অতি সত্বর পূর্ণ হইবে।
পাঠক, মনে রাখিবেন, এই তরিকায় ফজর ও এশার দরুদ চিরজীবন পাঠ করিতে হয়, কঠিন আপত্তি ব্যতীত উহা ত্যাগ করিবে না। দৈনন্দিন কার্য্য-কলাপে কলবের উপর যে মলিনতা ঘণীভূত হয়ে থাকে, উক্ত দরুদ পাঠে তাহা ধরীভূত হইয়া যায়। আরও জেকরের দ্বারা শরীরে যে গরমির উৎপত্তি হয়, উক্ত দরুদ পাঠে তাহা দূরীভূত হইয়া থাকে।
এই তরিকায় মৌখিক জেকর বা উচ্চৈঃস্বরে জেকর করার নিয়ম নাই ইহাতে সাধারণতঃ রিয়াকারীর দোষ ঘটিয়া থাকে এবং হিতে বিপরীত হইয়া থাকে। তফছির নায়ছাপুরিতে বর্ণিত আছে, খোদাতায়ালার জেকর মনে মনে করার হুকুম এইজন্য করা হইয়াছে যে, উহাতে শুদ্ধ সংকল্প (খাঁটি নিয়ত) সাধিত হইয়া থাকে এবং রিয়াকারী হইবার সম্ভাবনা থাকে না। হাদিজ শরিফে বর্ণিত আছে, উচ্চ শব্দে জেকর করা অপেক্ষা বিনা শব্দে জেকর করা সত্তুর গুণ অধিকতর ফলপ্রদ। এই তরিক্লার পীরগণ উচ্চশব্দে জেকর করা দূরের কথা, এইরূপ পরিচ্ছদ পরিধান করিতে নিষেধ করিয়াছেন, যাহা দরবেশদিগের বিশিষ্ট পরিচ্ছদ বলিয়া প্রসিদ্ধ হইয়াছে, কেননা ইহাতে রিয়াকারী হইতে পারে। এই হেতু তাহারা বলিয়াছেন, তরিকতপন্থীকে আলেমদিগের পরিচ্ছদ পরিধান করা এবং অন্তরকে খোদাতায়ালার খেয়ানে নিমগ্ন রাখা শ্রেয়, ইহাতে রিয়াকারীর সম্ভাবনা কম হইয়া থাকে।
যদি কলবের বা কোন লতিফার জেকর বা কোন মাকামের মোরাকাবা কালে অতিরিক্ত ফয়েজ পতিত হইতে থাকে তবে যথাসাধ্য ধৈর্যশীল ও স্থির থাকিতে চেষ্টা করিবে। অনেকে শরীরের কম্পন ভাব লোককে দেখাইতে আনন্দ অনুভব করে এবং ইহাকে নিজের বুযর্গী ধারণা করিয়া থাকে, কিন্তু ইহাও রিয়াকারীর গোনাহ সৃষ্টি করে। প্রকৃতপক্ষে যাদের অন্দরিয়য়ের মুখ অতি সংকীর্ণ, তাহাদের অন্তরিয়িয় উক্ত জ্যোতি আকর্ষণে অক্ষম হইয়ে থাকে, কাজেই তাহাদের শরীরে কম্পন ভাব উপস্থিত হইতে পারে। ইহা তাহাদের বুযর্গীর প্রমাণ নহে বরং তাহাদের লতিফার অযোগ্যতার পরিচয় মাত্র। কুরআন ও হাদিছে কৌতুহ ক্রীড়া নিষিদ্ধ হয়েছে, ইহাও ক্রীড়াজনক কার্য্য, কাজেই ইহাও নিষিদ্ধ হইবে।
পাঠক, এইরূপ ক্ষেত্রে তরিকতপন্থীগণকে অন্তর প্রসারিত হওয়ার জন্য অথবা ফয়েজ কম হওয়ার জন্য কুওয়াত, অছয়াতে কুলুব বা তহকিনের ফয়েজে আসিতে হইবে, ইহাতে চাঞ্চল্য ভাব বিদূরিত হইবে।
রেফারেন্স: তাছাওয়াফ-তত্ত্ব বা তরিকত দর্পণ
মাওলানা মোহাম্মদ রুহুল আমিন বশিরহাটী রহ: